সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

নভেম্বর, ২০২৩ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আল্লাহ আসমান জমিনের স্রষ্টা

ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَـٰلَمِينَِ ◯ Praise be to Allah, The Cherisher and Sustainer of the Worlds ; (Source: Sūra 1: Fātiha, Ayat: 1, https://quranyusufali.com/1). ان الحمد لله والصلاه والسلام على رسول الله (ইন্নালহামদা লিল্লাহ ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ অর্থ:সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং আল্লাহর রাসূলের উপর সালাম বর্ষিত হোক) سۡمِ ٱللهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِِ ◯ In the name of Allah, Most Gracious, Most Merciful. ١٦٤- إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلَافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَالْفُلْكِ الَّتِي تَجْرِي فِي الْبَحْرِ بِمَا يَنفَعُ النَّاسَ وَمَا أَنزَلَ اللَّـهُ مِنَ السَّمَاءِ مِن مَّاءٍ فَأَحْيَا بِهِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا وَبَثَّ فِيهَا مِن كُلِّ دَابَّةٍ وَتَصْرِيفِ الرِّيَاحِ وَالسَّحَابِ الْمُسَخَّرِ بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ ◯ "Behold! In the creation of the heavens and the earth; in the alternation of the night and the day; in the sailing of the ships through the ocean for the pr...
ﷺ THEORETICAL WARP DRIVE, TELEPORTATION, AND THE HOLY QURAN Many of us know about warp drive from either physics or science fiction – but what about what the Quran might say about it? ZAHIR DAVDANI 25TH NOVEMBER 2023 This article will show how the theoretical warp drive, first proposed by Alcubierre in 1994 and subsequently developed by many other physicists, matches in mechanism with the explanation given in the canonical hadith literature for how verse 40 of chapter 27 of the Qur’an, in which the vizier of Solomon instantly brings the throne of the Queen of Sheba to him, transpired. This is a phenomenon known in Arabic as Ṭayy al-Ārḍ (folding up of the earth). INTRODUCTION As is well known, the speed limit of the Universe is the speed of light. But this is the speed limit of things travelling through space. There is no speed limit for the fabric of space itself. For example, the observable universe is smaller than the actual universe, because regions far enough from the Ea...

বিজ্ঞান ব্যাংক (তথ্য) বাংলাদেশ

বিজ্ঞান ব্যাংক (তথ্য) বাংলাদেশ বলা হয়ে থাকে, "বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু- যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জেগেছিল"। "যদি ১৩ TeV-তেও টুইন কণাদের অস্তিত্ব আবিস্কার করা না যায়, তাহলেও 'তাদের অস্তিত্ব নেই'-এমনটা বলা যাবে না, হয়তো তাদের শনাক্ত করার জন্য আরও বেশি শক্তির প্রয়োজন হতে পারে। সে লক্ষ্যে বিজ্ঞানীরা আরও কাজে নামবেন, চেষ্টা করবেন সত্য উদঘাটনের জন্য" ( সূত্রঃ ১. সায়েন্স ইলাস্ট্রাটেড ২. জেগে উঠছে লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারঃ উজ্জ্বল তৌসিফ, বিজ্ঞানচিন্তা, জুন ২০১৯, পৃষ্ঠা ৪১)। মহাবিশ্বের সব কিছু কেবল ১২ ধরণের পদার্থের কণা দিয়ে গঠিত। বলবাহী কণারা এদেরকে একসঙ্গে ধরে রাখে। এসব কণাদের টুইন কণা আছে। ধারণা করা হচ্ছে, ডার্ক ম্যাটার বা গুপ্ত বস্ত্ত এই টুইন কণা দিয়েই গঠিত হতে পারে। লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার ব্যবহার করে বিজ্ঞানিরা এবার এই টুইন কণাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করেবন (বিজ্ঞানচিন্তা, জুন ২০১৯, পৃষ্ঠা ৪০)। আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার সাগরে জোয়ার এলো যেমন করেঃ হে রাসুল! আপনি বলুন, তোমরা কি সে আল্লাহকে অস্বীকার কর যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন ...

মহাকর্ষঃ মহাবিশ্বের মহা বিস্ময়

মহাকর্ষঃ মহাবিশ্বের মহা বিস্ময় স্ট্রিং বিশেষজ্ঞদের মতে, কণাবাদী পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেল যেসব কণিকাদের নিয়ে কাজ করে, স্ট্রিং থিওরি স্বতঃস্ফূর্তভাবেই এসব কণর সাথে চমৎকারভাবে মহাকর্ষের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারে। এ কারণে বিজ্ঞানীরা আশাবাদী যে, মহাজাগতিক সবকিছুর তত্ত্ব হিসাবে স্ট্রিং থিওরি সকল কাজের কাজী হওয়ার দাবী রাখে অর্থাৎ এই তত্ত্বের নিজস্ব গাণিিতিক মডেলের সাহায্যে স্ট্রিং থিওরি প্রকৃতিতে বিদ্যমান চারটি মৌলিক বল, সকল প্রকার শক্তি ও পদার্থের যেকোনো অবস্থাকে ব্যাখ্যা করতে পারে। বস্তুতঃ স্ট্রিং থিওরীর ধারণাগুলো আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার এবং কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি ও কোয়ান্টাম গ্রাভিটির (মহাকর্ষের কোয়ান্টাম রুপ) সকল ধোঁয়াশা দূর করে আমাদের পুরাতন পৃথিবীতে এক নতুন পদার্থবিজ্ঞান উপহার দিচ্ছে যা সত্যি অভিনন্দনযোগ্য।তবে নিউটনের ক্ল্যাসিক্যাল বল বিজ্ঞান ছাড়িয়ে কোয়ান্টাম ম্যাকানিকস নামক সুপার ডিজিটাল যুগেও সম্ভবপর হচ্ছে না মহাবিশ্বের মহাবিস্ময় মহাকর্ষের স্বরূপ উন্মোচনের। উপরন্ত্ত অদৃশ্যমান মহাজাগতিক ডার্ক এনার্জি আর ডার্ক ম্যাটারের সরব উপস্থিতি বিজ্ঞান...

মাল্টিভার্স: অনন্ত মহাবিশ্বের সন্ধানে

মাল্টিভার্স: অনন্ত মহাবিশ্বের সন্ধানে بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। الَّذِي خَلَقَ سَبْعَ سَمَاوَاتٍ طِبَاقًا ۖ مَّا تَرَىٰ فِي خَلْقِ الرَّحْمَـٰنِ مِن تَفَاوُتٍ ۖ فَارْجِعِ الْبَصَرَ هَلْ تَرَىٰ مِن فُطُورٍ তিনি সপ্ত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন। তুমি করুণাময় আল্লাহ তা’আলার সৃষ্টিতে কোন তফাত দেখতে পাবে না। আবার দৃষ্টিফেরাও; কোন ফাটল দেখতে পাও কি? ثُمَّ ارْجِعِ الْبَصَرَ كَرَّتَيْنِ يَنقَلِبْ إِلَيْكَ الْبَصَرُ خَاسِئًا وَهُوَ حَسِيرٌ অতঃপর তুমি বার বার তাকিয়ে দেখ-তোমার দৃষ্টি ব্যর্থ ও পরিশ্রান্ত হয়ে তোমার দিকে ফিরে আসবে। (সূরাহ মুলক, আয়াতঃ ৩-৪)। “বিশ্ব বলিতে পূর্বে কিছুই ছিলনা”। (ফাতওয়ায়ে সিদ্দিকীন, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠাঃ ৭৪, কুরআন হাদীস রিসার্চ সেন্টার (ফুরফুরা দরবারের গবেষণা প্রতিষ্ঠান), প্রকাশনায়ঃ ইশায়াতে ইসলাম, কুতুবখানা, মার্কাজে ইশায়াতে ইসলাম, ২/২, দারুস সালাম, মীরপুর, ঢাকা-১২১৬), প্রকাশকালঃ সাবান-১৪২০হিজরি, নভেম্বর ১৯৯৯ ঈসায়ী “গোটা সৃষ্টিকূলের মধ্যে আল্লাহ তাআলার কুন ফাইয়া কুনের তাজাল্লীই বিরাজমান” ...

স্ট্রিং থিওরিঃ আশার আলো

স্ট্রিং ঃ ‌কোন্ পথে? নিউটনের মতে, সত্য সহজ-সরল পথে অবস্থিত। স্ট্র্রিং জানার দুটি পথ ১. সরল সমীকরণে ২. জটিল তাত্বিক সমীকরণে। সরল সমীকরণে স্ট্রিং থিওর স্ট্রিং থিওরিঃ আশার আলো কণা তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের মতে, মৌলিক কনিকারা হল মাত্রাহীন বিন্দুর মত। জ্যামিতিক ভাষায় বিন্দুর সংজ্ঞা হচ্ছে: “যার দৈর্ঘ্য প্রস্থ ও উচ্চতা নেই তাকেই বিন্দু বলে”। পক্ষান্তরে স্ট্রিং থিওরি মতে, মৌলিক কণিকারা মাত্রাহীন বিন্দুর মত নয়, বরং এগুলো হলো একমাত্রিক তারের মত। একটি তারের যেমন শুধু দৈর্ঘ্য আছে; মৌলিক কণারাও ঠিক তেমনি। এ কারণেই এই তত্ত্বের নামও হয়েছে স্ট্রিং থিওরি বা তার-তত্ত্ব। স্ট্রিং থিওরির প্রকারভেদঃ মৌলিক কনাগুলোকে তাদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মুলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ক) এক শ্রেনির নাম বোসন খ) আরেক শ্রেনির নাম ফার্মিওন। প্রথম দিকে যে স্ট্রিং থিওরি গঠন করা হয় তাকে বলা হত বোসনিক স্ট্রিং থিওরি। স্ট্রিং থিওরীর মূল লক্ষ্যঃ স্ট্রিংগুলোর কোয়ান্টাম অবস্থা ও বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে প্রকৃতিতে বিদ্যমান সকল মৌলিক কনিকার আচরণ ব্যাখ্যা করা স্ট্রিং থিওরীর মূল লক্ষ্য। ধরা যাক ইলেকট্রন বা কোয়ার্কের কথা...