সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

আল্লাহ আসমান জমিনের স্রষ্টা

ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَـٰلَمِينَِ ◯ Praise be to Allah, The Cherisher and Sustainer of the Worlds ; (Source: Sūra 1: Fātiha, Ayat: 1, https://quranyusufali.com/1). ان الحمد لله والصلاه والسلام على رسول الله (ইন্নালহামদা লিল্লাহ ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা রাসূলিল্লাহ অর্থ:সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং আল্লাহর রাসূলের উপর সালাম বর্ষিত হোক) سۡمِ ٱللهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِِ ◯ In the name of Allah, Most Gracious, Most Merciful. ١٦٤- إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَاخْتِلَافِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَالْفُلْكِ الَّتِي تَجْرِي فِي الْبَحْرِ بِمَا يَنفَعُ النَّاسَ وَمَا أَنزَلَ اللَّـهُ مِنَ السَّمَاءِ مِن مَّاءٍ فَأَحْيَا بِهِ الْأَرْضَ بَعْدَ مَوْتِهَا وَبَثَّ فِيهَا مِن كُلِّ دَابَّةٍ وَتَصْرِيفِ الرِّيَاحِ وَالسَّحَابِ الْمُسَخَّرِ بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ لَآيَاتٍ لِّقَوْمٍ يَعْقِلُونَ ◯ "Behold! In the creation of the heavens and the earth; in the alternation of the night and the day; in the sailing of the ships through the ocean for the profit of mankind; in the rain which God sends down from the skies and the life which He gives therewith to an earth that is dead; in the beasts of all kinds that He scatters through the earth; in the change of the winds and the clouds which they trail like their slaves between the sky and the earth; (here) indeed are signs for a people that are wise". (Source: Sūra 2: Baqara, or the Heifer, Ayat: 164,Verses 286 — Madani; Revealed at Medina — Sections 40 ,https://quranyusufali.com/2/) নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডল ও ভূমণ্ডল সৃষ্টি করতে, রাত-দিনের ধারাবাহিক আবর্তনে, সেই সব নৌযানে, যা মানুষের জন্য উপকারী সামগ্রী নিয়ে সাগরে চলাচল করে, সেই পানিতে যা আল্লাহ আকাশ থেকে বর্ষণ করেছেন এবং এর মাধ্যমে মৃত ভূমিকে পুনর্জীবন দান করেছেন, তাতে সব ধরনের জীবজন্তু ছড়িয়ে দিয়েছেন আর বায়ুর দিক পরিবর্তনে এবং সেই মেঘমালাতে যা আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তী স্থানে আজ্ঞাবহ হয়ে সেবায় নিয়োজিত রয়েছে, এসবে বহু নিদর্শন রয়েছে, সেসব লোকের জন্য, যারা নিজেদের জ্ঞান-বুদ্ধিকে কাজে লাগায়।* (সুরা বাকারা) আকাশ এবং জমিন (পৃথিবীসহ) কে সৃষ্টি করেছেন? এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ফরমানঃ ١- الْحَمْدُ لِلَّـهِ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَجَعَلَ الظُّلُمَاتِ وَالنُّورَ ۖ সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সৃষ্টি করেছেন আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন। আল-বায়ান Praise be to Allah Who created the Skies and the Earth. (Sūra 6: An’ām, or Cattle, Ayat: 1, Verses 165 — Makki; Revealed at Mecca — Sections 20,https://quranyusufali.com/6/). আকাশ এবং জমিন (পৃথিবীসহ) কেন সৃষ্টি করেছেন? এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ফরমানঃ . ٢٩- هُوَ الَّذِي خَلَقَ لَكُم مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا ثُمَّ ◯ তিনিই সে সত্ত্বা যিনি সৃষ্টি করেছেন তোমাদের জন্য যা কিছু জমিনে রয়েছে সে সমস্ত। (সুরা বাক্বারা : আয়াত ২৯) আকাশ এবং জমিন (পৃথিবীসহ) কীভাবে সৃষ্টি করেছেন? এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা ফরমানঃ ٣٠- أَوَلَمْ يَرَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنَّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَاهُمَا وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ أَفَلَا يُؤْمِنُونَ ◯ "Do not the Unbelievers see That the heavens and the earth Were joined together (as one Unit of Creation), before We clove them asunder ? We made from water Every living thing. Will they Not then believe ?" (Sources: i) Sūra 21: Anbiyāa, or The Prophets, Verses 112 —Ayat: 30, Makki; Revealed at Makka — Sections 7 ii) https://quranyusufali.com/21/ মহাবিশ্ব কীভাবে এলো? সাধারণ মানুষের এটা একটা আদি প্রশ্ন। এই প্রশ্নের যুগে যুগে উত্তর খু‍ঁজেছিলেন প্রাচীন যুগে গ্রীক বিজ্ঞানী-দার্শনিক ড্রেমোক্রিটাস, অ্যারিস্টটল, সক্রেটিস, মধ্যযুগে মধ্যপ্রাচ্যের জাবের ইবনে হায়ান আল আরাবী, সপ্তদশ শতাব্দীতে এনালগ যুগে স্যার আইজাক নিউটন, উনবিংশ শতাব্দীতে রাদার ফোর্ড, ........ বিংশ শতাব্দীর ডিজিটাল যুগে আলবার্ট আইনস্টাইন,ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক, হাইজেনবার্গ, এডউইন হাবল.....খুঁজতে গিয়ে মহাবিশ্বের সৃষ্টির অআগের অবস্থা, পরের অবস্থা পর্যন্ত জানতে এবং জানাতে সক্ষম হন এবং মাত্র একটা প্রশ্নের সদুত্তর পাওয়ার মধ্যে নিহিত রয়েছে অন্ততঃ মহাবিশ্বের বস্তগত অবকাঠামোর চূড়ান্ত সত্যে পৌঁছা যা ছিল বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার মূল মিশন এবং ভিশন। উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালে মহাজাগতিক কসমোলজিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশনের অবশেষের সন্ধান পাওয়ার পর বিজ্ঞানীরা প্রাপ্ত রেডিয়েশনের কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে জানতে পারেন মহাবিশ্ব কিভাবে এলো? এই প্রশ্নের উত্তর। উত্তরটা ছিলঃ মহাবিশ্ব এসেছে বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে। মার্কিন জ্যোতি-পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগানের মতে, সাহসী প্রশ্নের জ্ঞানগর্ভ উত্তরে নিহিত রয়েছে সত্যের ঠিকানা। এমনই এক সাহসী প্রশ্ন ছিলঃ বিগ ব্যাং এর পূর্বে মহাবিশ্বের স্বরূপ কী ছিল? তারও উত্তর মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিতে যে উত্তর পাওয়া যায় তা হচ্ছেঃ হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন যাতে মহাবিস্ফোরণ (বিগ ব্যাং) ঘটনার ফলে আকাশ এবং পৃথিবীসহ সকল গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র (তারা),মিল্কিওয়ে বা ছায়াপথসহ বিলিয়ন বিলিয়ন গ্যালাক্সির উদ্ভব ঘটেছিল। আই.অআর.অআর.এস.টি.সি মনে করে, মহাবিশ্বের আরও গভীরে পৌঁছার জন্য একটা সাহসী প্র্শ্ন অনিবার্য হয়ে উঠে যে, হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন যাতে মহাবিস্ফোরণ (বিগ ব্যাং) নামক সংঘটিত ঘটনাটি নিছক দূর্ঘটনা না ঘটনা? উদ্দেশ্যপূর্ণ নাকি উদ্দেশ্যবিহীন? বলা হয়ে থাকে, বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জন্মেছিল। আকাশ এবং জমিন (পৃথিবীসহ) কী দিয়ে সৃষ্টি করেছেন? আল্লাহ অন্ধকার ও আলোর স্রষ্টা ١- الْحَمْدُ لِلَّـهِ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَجَعَلَ الظُّلُمَاتِ وَالنُّورَ ۖ ثُمَّ সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সৃষ্টি করেছেন আসমান ও যমীন এবং সৃষ্টি করেছেন অন্ধকার ও আলো। আল-বায়ান "Praise be to God Who created the heavens and the earth and made the darkness and the light. Sūra 6: An’ām, or Cattleশ Verses 165 — Makki; Revealed at Makka — Sections 20,https://quranyusufali.com/6/). বিজ্ঞানীদের মতে, মহাবিশ্ব গাঠনিক বিবেচনায় দুই স্তর বিশিষ্ট। ১) দৃশ্যমান ২) অদৃশ্যমান। দৃশ্যমান অবস্থাঃ বিজ্ঞানীদের দাবী খালি চোখ মানুষ মহাকাশের ....দূর পর্যন্ত দেখতে পারেন। কোনো পদার্থকে চূর্ণবিচূর্ণ করলে.....সেন্টিমিটার পরিমাণ খালি চোখে দেখতে পারেন এবং সুপার ডিজিটাল মাইক্রোস্কোপে সর্বোচ্চ ১০-১৭ সেন্টিমিটার মাত্রার সূক্ষ্ণাতি সূক্ষ্ণ, ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র বস্ত্ত কণা প্রত্যক্ষ করা সম্ভবপর। এর বাইরের বস্তুকণা দেখার প্রযুক্তি বিজ্ঞানীরা রপ্ত করতে পারে নি। যার কারণে ১০-৩৩ মাত্রার স্ট্রিং থিওরির স্ট্রিং দেখা এখনও আকাশ কুসুম কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয় মর্মে বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস।অবশ্য IRRSTC মনে করে স্ট্রিং থিওরি প্রমাণিত হয়েছে ২০১২ সালে হিগস বোসন কণা আবিস্কারর সময়ে। মহাজাগতিক আরেকটি যে প্রশ্ন সংগত কারণে থেকে যায় তা হচ্ছে, মহাবিশ্ব কোন্ উৎসমূলে সুশৃঙখভাবে পরিচালিত হচ্ছে? মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে, বিশ্ব প্রকৃতিতে বিদ্যমান ৪ মহাবল যথাক্রমে ১. বিদ্যুৎ চুম্বকীয় বল, ২. দূর্বল নিউক্লিয় বল ৩.সবল নিউক্লিয় বল এবং ৪. মহাকর্ষ বল বিগ ব্যাংয়ের আগে-এমনকি পরেও একত্রিত ছিল। উক্ত চার মহাবল শুরুতে কোথায় ছিল? IRRSTC মনে করে চার মহাবল শুরুতে Highest Energetic Radiation-এ কেন্দ্রীভূত ছিল। Highest Energetic Radiation এর উৎসমূল কী? অবশ্য, পদার্থ বিজ্ঞানে এ ধরণের প্রশ্ন আজও আমরা শুনিনি। উল্লেখ্য, বিজ্ঞান জগতে এ মর্মে একটা প্রবাদতুল্য বাক্য রয়েছে যে, মহাবিশ্বে এমন প্রশ্ন রয়েছে যা এ জগতে পাওয়া যাওয়ার কথা নয়। তবে সব প্রশ্নের উত্তরের গ্যারান্টি বিজ্ঞান দেয় না। হতে পারে Highest Energetic Radiation এর উৎসমূল সম্পর্কিত প্রশ্নটিও হয়তো অআধুনিক বিজ্ঞানে সদুত্তর না পাওয়া যাওয়ার মতই। অবশ্য, জ্যোতি পদার্থ বিজ্ঞানী কার্ল সাগানের মতে, মহাবিশ্বকে পুরোপুরি জানতে হলে দরকার সাহসী প্রশ্নের। মহাবিশ্বের শুরু হয়েছিল কি দিয়ে? স্ট্যান্ডার্ড মডেলমতে, বিগ ব্যাংয়ের শুরুতে ভরসম্পন্ন কোনো মৌলিক কণার উদ্ভব হয়নি। বিগ ব্যাংয়ের শুরুতে ছিল ভরশুন্য আলোর কোয়ান্টা ফোটন আর ফোটন। ভরযুক্ত আদি কণার উদ্ভব কীভাবে হলো? কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেলমতে, ভরশুন্য কণা হিগস ফিল্ডের সংস্পর্শে এলে কণাটি হিগস বোসন ভরত্ব লাভ করে। ভর শুন্য কোন্ কণাটি হিগস ফিল্ডে বিদ্যমান শক্তির সংস্পর্শে এসে ভরত্ব লাভ করেছিল? IRRSTC মনে করে, সম্ভবতঃ ভরশুন্য ফোটন কণা হিগস ফিল্ডের সংস্পর্শে এসে ভরত্ব লাভ করেছিল। শক্তি+বস্তুকণা (কোয়ার্ক+হিগসবোসন) মিলে মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোর ভিত্তি (ফাউন্ডেশন)।আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ কিংবা কোয়ান্টাম মেকানিকস তত্ত্ব মতেও বস্ত এবং শক্কি, শক্তি এবং বস্ত্ত অভিন্ন সেহেতু মহাবিশ্বের বস্তগত যে অবকাঠামো তা বাস্তবে শক্তিগত কাঠামো। সেমতে মহাবিশ্বের গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশনের মূল ভিত্তি দাঁড়াচ্ছে শক্তি আর শক্তি।যে শক্তির একক নাম হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশন যা বিস্ফোরিত হওয়াকে বিগ ব্যাং বলা হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, এ যাবৎকালের সর্বাধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির সাজ সরন্জামের বদৌলতে বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের যতটুকু জানতে পেরেছেন তার পরিমাণ সর্ব সাকুল্যে বড়জোর ৪ থেকে ৫ শতাংশ। বাকী ....শতাংশ ডার্ক এনার্জি এবং ...শতাংশ ডার্ক ম্যাটার।তা-ও আইনস্টাইনের ভরশক্তি সমীকরণ কিংবা কোয়ান্টাম মেকানিকস তত্ত্ব তথা গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন হচ্ছে শক্তি আর শক্তি। উপরোক্ত বর্ণনার অআলোকে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, মহাবিশ্বের বস্তুগত অবকাঠামোর মূল ভিত্তি শক্তি আর শক্তি এনার্জি আর এনার্জি যার মহাবিস্ফোরণে মহাবিশ্বের উদ্ভব। বিগ ব্যাং কি সম্পূর্ণ অপরিকল্পিত ও আকস্মিক কোনো দূর্ঘটনা নাকি সুদূরপ্রসারী উদ্দ্যেশ্যপূর্ণ ঘটনা? বিগ ব্যাংয়ের সূচনাকালীন ধরণ বিগ ব্যাংয়ের সূচনাকালীন ধরণ ছিল শুরুতে বৈশ্বিক উষ্ঞতা যেখানে ছিল ....ডিগ্রি সেলসিয়াস তা ক্রমান্বয়ে শীতল হতে হতে ৩০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার পর পৃথিবীর যাবতীয় পরিবেশ বান্ধব উপকরণাদি সৃষ্টি হতে থাকে এবং .....তে স্থিতিশীলতা উল্লেখ্য, নাসা-র (NASA) গডার্ড ইনস্টিটিউট ফর স্পেস স্টাডিজ-এর (Goddard Institute for Space Studies) করা অনুমিত হিসাব অনুযায়ী ফরাসী শিল্প বিপ্লবের পর ১৮৫০ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক তাপমাত্রা অপেক্ষাকৃত স্থিতিশীল ছিল।এরপর থেকে বিশ্ব প্রকৃতি আবার উষ্ঞতামুখী হয়ে পড়ে। তাপমাত্রার দলিল অনুযায়ী ১৮৬০-১৯০০ সালের তুলনায় ভূভাগ ও সমুদ্র উভয় ক্ষেত্রেই বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের বৃদ্ধির ফলে বিশ্বের তাপমাত্রা ০.৭৫°সে. (১.৪° ফা.) বৃদ্ধি পেয়েছে; ১৯৭৯ সাল থেকে ভূ-ভাগের তাপমাত্রা মহাসাগরের তাপমাত্রার চেয়ে দ্বিগুণ দ্রুততায় বৃদ্ধি পেয়েছে (দশকে ০.১৩°সে. এবং স্থলে ০.২৫°সে.) (Smith, ২০০৫)। কৃত্রিম উপগ্রহকৃত তাপমাত্রা পরিমাপ হতে দেখা যায় যে, নিম্ন ট্রপোমণ্ডলের তাপমাত্রা ১৯৭৯ সাল থেকে প্রতি দশকে ০.১২°সে.-০.২২°সে. সীমার মধ্যে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০৫ সাল ছিল সবচেয়ে উষ্ণ বছর। (সূত্রঃ https://bn.wikipedia.org/wiki/ভূমণ্ডলীয়_উষ্ণতা_বৃদ্ধি)। উপরোক্ত বর্ণনার অআলোকে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, মহাবিশ্বের পরিচালনা এবং ব্যবস্থাপনার মূল ভিত্তি জ্ঞান আর জ্ঞান, নলেজ আর নলেজ।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

With just one month until the 12th annual World Hijab Day on February 1, 2024, it's time to gear up for this global event. Let's come together under the theme #VeiledInStrength to show solidarity and support for Muslim women worldwide. World Hijab Day serves as a platform to stand against discrimination faced by hijab wearing Muslim women in various spheres of life. Many encounter bans and unwarranted scrutiny in public spaces, schools, and workplaces. Together, our unified participation aims to challenge these prejudices and combat systemic anti-Muslim bigotry. Your involvement is crucial in our collective effort to dismantle discrimination and foster inclusivity. We encourage everyone to use the hashtags #VeiledInStrength and #WorldHijabDay to engage in meaningful conversations and amplify the voices of those facing challenges. To ignite awareness and momentum leading up to World Hijab Day, we've launched a special selfie campaign: 1. Take a selfie wearing your hijab....

স্ট্রিং থিওরিঃ আশার আলো

স্ট্রিং ঃ ‌কোন্ পথে? নিউটনের মতে, সত্য সহজ-সরল পথে অবস্থিত। স্ট্র্রিং জানার দুটি পথ ১. সরল সমীকরণে ২. জটিল তাত্বিক সমীকরণে। সরল সমীকরণে স্ট্রিং থিওর স্ট্রিং থিওরিঃ আশার আলো কণা তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের মতে, মৌলিক কনিকারা হল মাত্রাহীন বিন্দুর মত। জ্যামিতিক ভাষায় বিন্দুর সংজ্ঞা হচ্ছে: “যার দৈর্ঘ্য প্রস্থ ও উচ্চতা নেই তাকেই বিন্দু বলে”। পক্ষান্তরে স্ট্রিং থিওরি মতে, মৌলিক কণিকারা মাত্রাহীন বিন্দুর মত নয়, বরং এগুলো হলো একমাত্রিক তারের মত। একটি তারের যেমন শুধু দৈর্ঘ্য আছে; মৌলিক কণারাও ঠিক তেমনি। এ কারণেই এই তত্ত্বের নামও হয়েছে স্ট্রিং থিওরি বা তার-তত্ত্ব। স্ট্রিং থিওরির প্রকারভেদঃ মৌলিক কনাগুলোকে তাদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মুলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ক) এক শ্রেনির নাম বোসন খ) আরেক শ্রেনির নাম ফার্মিওন। প্রথম দিকে যে স্ট্রিং থিওরি গঠন করা হয় তাকে বলা হত বোসনিক স্ট্রিং থিওরি। স্ট্রিং থিওরীর মূল লক্ষ্যঃ স্ট্রিংগুলোর কোয়ান্টাম অবস্থা ও বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে প্রকৃতিতে বিদ্যমান সকল মৌলিক কনিকার আচরণ ব্যাখ্যা করা স্ট্রিং থিওরীর মূল লক্ষ্য। ধরা যাক ইলেকট্রন বা কোয়ার্কের কথা...

মহাকর্ষঃ মহাবিশ্বের মহা বিস্ময়

মহাকর্ষঃ মহাবিশ্বের মহা বিস্ময় স্ট্রিং বিশেষজ্ঞদের মতে, কণাবাদী পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেল যেসব কণিকাদের নিয়ে কাজ করে, স্ট্রিং থিওরি স্বতঃস্ফূর্তভাবেই এসব কণর সাথে চমৎকারভাবে মহাকর্ষের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারে। এ কারণে বিজ্ঞানীরা আশাবাদী যে, মহাজাগতিক সবকিছুর তত্ত্ব হিসাবে স্ট্রিং থিওরি সকল কাজের কাজী হওয়ার দাবী রাখে অর্থাৎ এই তত্ত্বের নিজস্ব গাণিিতিক মডেলের সাহায্যে স্ট্রিং থিওরি প্রকৃতিতে বিদ্যমান চারটি মৌলিক বল, সকল প্রকার শক্তি ও পদার্থের যেকোনো অবস্থাকে ব্যাখ্যা করতে পারে। বস্তুতঃ স্ট্রিং থিওরীর ধারণাগুলো আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার এবং কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি ও কোয়ান্টাম গ্রাভিটির (মহাকর্ষের কোয়ান্টাম রুপ) সকল ধোঁয়াশা দূর করে আমাদের পুরাতন পৃথিবীতে এক নতুন পদার্থবিজ্ঞান উপহার দিচ্ছে যা সত্যি অভিনন্দনযোগ্য।তবে নিউটনের ক্ল্যাসিক্যাল বল বিজ্ঞান ছাড়িয়ে কোয়ান্টাম ম্যাকানিকস নামক সুপার ডিজিটাল যুগেও সম্ভবপর হচ্ছে না মহাবিশ্বের মহাবিস্ময় মহাকর্ষের স্বরূপ উন্মোচনের। উপরন্ত্ত অদৃশ্যমান মহাজাগতিক ডার্ক এনার্জি আর ডার্ক ম্যাটারের সরব উপস্থিতি বিজ্ঞান...