সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

CIRNN REPORT 1445/2023

بِسۡمِ ٱللهِ ٱلرَّحۡمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِِ ◯ In the name of Allah, Most Gracious, Most Merciful. ٱلۡحَمۡدُ لِلَّهِ رَبِّ ٱلۡعَـٰلَمِينَِ ◯ Praise be to Allah, The Cherisher and Sustainer of the Worlds ; (Source: Sūra 1: Fātiha, Ayat: 1, https://quranyusufali.com/1). সূচনাঃ ( Introduction ) একসময় ‘মহাবিশ্ব’ (Universe) বলে কিছু ছিল না, একসময় কুল্লুমান আলাইয়া ফান-কিছুই থাকবে না, সবই ফান অর্থাৎ ‘নাই’ (Nil) হয়ে যাবে, থাকবেন কেবল জুলজালালি ওয়াল ইকরাম অর্থাৎ আল্লাহ আর আল্লাহ জাল্লা জালালাহু ওয়া শানহু । মধ্যবর্তীতে আমরা আছি, মহাবিশ্ব এবং তদস্থিত সব কিছু গ্রহ-নক্ষত্র, গ্যালাক্সি, পৃথিবী এবং তদস্থিত সাগর-মহাসাগর, বন-মহাবন, সুউচ্চ পাহাড় পর্বত সবই ছিল, আছে এবং থাকবে ইনশা আল্লাহ এক নির্ধারিত সময় কাল পর্যন্ত। বস্তুতঃ মানব জাতির উষাকাল হতে তিনটি প্রশ্ন মানব মনে সতত উদীয়মান যার একটি হচ্ছে মহাবিশ্ব কিভাবে এলো? দ্বিতীয় প্রশ্ন মহাবিশ্ব কি দিয়ে সৃষ্টি? তৃতীয় প্রশ্নঃ কে এই মহাবিশ্বের সব কিছু অতি সুন্দর, সুশৃঙ্খল, নিয়মতান্ত্রিক এবং প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনায় মহাবিশ্ব পরিচালনা করছেন? মডার্ণ কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি তথা পদার্থ বিজ্ঞান মূলতঃ বস্ত্তগত প্রথম প্রশ্নকে ঘিরে কেন্দ্রীভূত। এই প্রশ্ন নিয়েই ফিজিক্স নামক পদার্থ বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা শুরু এবং এ প্রশ্নের যথার্থ উত্তরের একেবারে শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছে গেছে বিজ্ঞান।অআর একটি মাত্র প্রশ্নের উত্তরে নিহিত আছে বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার মূল লক্ষ্য হাসিলের। তবে তা প্রথম প্রশ্নের ক্ষেত্রে।দ্বিতীয় প্রশ্নে আই.আর.আর.এস.টি.সি. মনে করে, মহাবিশ্বকে পূর্ণাঙ্গভাবে জানতে হলে মহাবিশ্ব কিভাবে এলো? কি দিয়ে সৃষ্টি? তা জানার পাশাপাশি কে মহাবিশ্বের পরিচালনা, ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত তা-ও জানতে হবে। আই.আর.আর.এস.টি.সি.এর মূল প্রতিপাদ্য প্রথম এবং তৃতীয় বিষয়। দ্বিতীয় বিষয়টি ভবিষ্যত নতুন ফ্রন্টিয়ার সায়েন্সের বিষয় যা বর্তমান বিদ্যমান ক্ল্যাসিকাল এবং কোয়ান্টাম বিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত কোনো বিষয় নয়। মহাবিশ্বের পরিচালক, ব্যবস্থাপক কে? তৃতীয় এই প্রশ্নের জবাবে নিহিত রয়েছে যুগান্তকরী এক অধ্যায়। এর জবাবে একাধারে গ্র্যান্ড ইউনিফিকেশন থিওরি এবং রিলিজিয়স থটসের সাথে বিজ্ঞানের ঐকমত্যে পৌঁছার সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে। যা বিজ্ঞানের বিকলাংকতা এবং ধর্মের অন্ধত্বও ঘুচাতে যথেষ্ট হতে পারে আইনস্টাইনের ঐতিহাসিক বক্তব্যের সূরে। পদার্থ বিজ্ঞানের আলোচনার পরতে পরতে এমন একটি অ্যাবস্ট্রাক্ট শব্দ অবিশ্লেষণীয়ভাবে বার বার অবচেতন মনে এসে পড়ে যাকে অআমরা পুরো মহাবিশ্বের হর্তাকর্তা বলে বিশ্বাস করে নিয়েছিল অথচ এর কোনো বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ যেমন নেই তেমনি গবেষণা কিংবা চিন্তা-ভাবনাও নেই। আই.আর.আর.এস.টি.সি.এ যাবৎকালের অবিশ্লেষণীয় শব্দটিকে মহাবিশ্বের বস্ত্তগত গাঠনিকতত্ত্বের মূলোৎস বিবেচনা করে। কারণ, যদিও বর্তমানে ফিজিক্স পদার্থ বিজ্ঞানে সীমাবদ্ধ কিন্ত্ত আই.আর.আর.এস.টি.সি.মনে করে পুরো মহাবিশ্বের বস্ত্তগত অবকাঠামোকে বুঝতে হলে ফিজিক্স-কে পদার্থ বিজ্ঞানে সীমাবদ্ধ রাখা সংগত হবে না, বরং ফিজিক্সকে মূলে ফেরাতে হবে। আদিকালে ফিজিক্স বলতে পুরো মহাবিশ্বের মূলোৎসকে বুঝানো হতো। ফিজিক্স শব্দটি ....গ্রীক শব্দ...থেকে উৎসারিত যাকে ইংরেজীতে নেচার (Nature) বলা হয়। বাংলায় প্রকৃতি। বলা হয়ে থাকে, “প্রকৃতি”তে এত এত কণা-এসব কি দিয়ে তৈরি কেউ জানে না। আইনস্টাইন বিশ্বাস করতেন, নিউটন গণিত কষে “প্রকৃতির” সব ভাষা বুঝে ফেলেছেন (বুঝতে পারেন নি কেবল ভূত্বকের মধ্যাকর্ষণের সাথে মহাকাশের মহাকর্ষের মধ্যে অসাদৃশ্যতাকে)। উল্লেখ্য, অতিপারমাণবিক অন্দর মহলে বিজ্ঞানীদের গভীর গবেষণায় বার বার উঠে আসা যে অসীমত্বের হাতছানি তাতে নেচার (Nature) বা প্রকৃতির একটা যোগসূত্র বা সেতুবন্ধ রয়েছে বলে আই.আর.আর.এস.টি.সি.মনে করে। মহাবিশ্ব কিভাবে? আই.আর.আর.এস.টি.সি.মনে করে পদার্থ বিজ্ঞান এই প্রশ্নের যথার্থ উত্তরের একেবারে কাছাকাছি এসে পৌঁছে গেছে। আইনস্টাইনের স্বপ্নিল Grand Unification Theory এর বাস্তবতা সময়ের ব্যাপার মাত্র। উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালে প্রাপ্ত বিগ ব্যাং উত্তর মহাজাগতিক প্রাথমিক আলোক রশ্মি ব্যাকগ্রাউন্ড রেডিয়েশনের কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে প্রাপ্ত উপাত্তকে ভিত্তি করে রচিত মহাবিশ্বের বস্ত্তগত গাঠনিক তত্ত্ব কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরিমতে হাইয়েস্ট এনার্জেটিক রেডিয়েশনে মহাবিস্ফোরণ (বিগ ব্যাং) ঘটলে মহাবিশ্বের সূচনা হয়েছিল। বলা যেতে পারে, মহাবিশ্বের কিভাবে সৃষ্টি বা জন্ম হয়? এ প্রশ্নের তথ্যভিত্তিক একটি সন্তোষজনক ও গ্রহণযোগ্য উত্তর কসমোলজিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড মডেল থিওরি।+ ১)সর্বপ্রথমে কুদরতি ক) ইচ্ছা অতঃপর খ) আদেশ (কুন), অতঃপর গ) হওয়া (ফায়াকুন) দ্বারা; ২) জেনে রাখুন, তাঁরই কাজ ক) সৃষ্টি করা এবং খ) আদেশ প্রদান করা। ৩)নিশ্চয় তোমাদের রব আল্লাহ, যিনি আসমান ও জমীন ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। ১)প্রাথমিক তত্ত্বঃ সর্বপ্রথম সৃষ্টির প্রারম্ভ কুদরতি ইচ্ছা হতে দ্বিতীয়তঃ ইচ্ছার বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য আদেশ প্রদান (কুন), তৃতীয়তঃ আদেশের বাস্তবায়ন ঘটে ফায়াকুন (তাতেই হয় যার বাস্তবায়ন ঘটে ফায়াকুনের মাধ্যমে অর্থাৎ সম্পূর্ণ অস্তিস্ত্বহীন থেকে অস্তিস্ত্ব লাভ করে আজকের এই মহাবিশ্ব। ২) দ্বিতীয় তত্ত্বঃ প্রথমে হওয়া (ফায়াকুন) তারপর আদেশ প্রদান (তবে, এ আদেশ কোন্ মাত্রা বা ধরণের তা স্পষ্ট নয়) ৩) সৃষ্টির তৃতীয় তত্ত্বঃ এই সৃষ্টি তত্ত্ব সময়সাপেক্ষ (টাইম ফেক্টর)।৬দিন/কাল হচ্ছে এর নির্ধারিত মাত্রা। লক্ষ্যনীয় যে, মহাকাশের চন্দ্র-সূর্য-গ্রহ-নক্ষত্রগুলো গোলাকৃতির বিন্দুর মতো।নক্ষত্রগুলি মিটমিট করে জ্বলে। বড় বলে চোখে দেখি, দূরে বলে ছোট দেখি।সূর্যকে নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে দেখার কারণে সূর্য-চন্দ্র-পৃথিবী দৃশতঃ সমানাকৃতির দৃশ্যমান হয়।বাস্তবে পৃথিবীর তুলনায় সূর্য অনেক অনেক বড়, অন্ততঃ ১৩ লক্ষ গুণ বড়।সুতরাং যত দূরত্ব যাওয়া যাবে ততই চন্দ্র-সূর্য-পৃথিবী ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রাকৃতির বিন্দুর মতো দেখা যাবে। কণা ডিটেক্টরে সেই বিন্দুকে দেখা যাবে কণা রূপে, তরঙ্গ ডিটেক্টরে সেই কণাকে দেখা যাবে তরঙ্গ অআকারে। স্ট্রিং তত্ত্বমতে কণা বা তরঙ্গ নয় সবই স্ট্রিংয়ের কম্পন-এটাই আধুনিক বিজ্ঞানের মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের এখনকার মত সং শেষ কথা। পুরো মহাবিশ্বকে স্ট্রিংয়ের আলোকে বিবেচনা করতে হলে মহাবিশ্বকে অন্ততঃ ৭ মাত্রিক (সাত আসমান সাত মাত্রায় বিবেচনা করতে হবে এবং ২য় আসমান থেকে ১ম আসমান দর্শন করলে দেখা যাবে প্রথম আসমান কত ছোট।এভাবে দেখা যাবে, সপ্ত আকাশ থেকে ষষ্ঠ আকাশ একটা বিন্দুর মতো।স্ট্রিং মতে তা বিন্দু নয় কম্পমান লম্বাটে সুতাসদৃশ। পদার্থবিজ্ঞান পদার্থ ও তার গতির বিজ্ঞান। বাংলায় "পদার্থবিজ্ঞান" শব্দটি একটি সমাসবদ্ধ পদ। "পদার্থ" ও "বিজ্ঞান" দুটি সংস্কৃত শব্দ নিয়ে এটি গঠিত। এর ইংরেজি পরিভাষা Physics শব্দটি গ্রিক φύσις (ফুঁসিস) অর্থাৎ "প্রকৃতি", এবং φυσικῆ (ফুঁসিকে) অর্থাৎ "প্রকৃতি সম্পর্কিত জ্ঞান" থেকে এসেছে। পদার্থবিজ্ঞান বলতে বলা যেতে পারে এটা হলো গণিতের বাস্তব রূপ। এখানে বিভিন্ন গাণিতিক হিসাব নিকাশ দ্বারা প্রকৃতির বিভিন্ন ঘটনাকে বর্ণনা করা হয়। অত্যন্ত বিমূর্তভাবে বলতে গেলে, পদার্থবিজ্ঞান হল সেই বিজ্ঞান যার লক্ষ্য আমাদের চারপাশের বিশ্বকে বোঝার চেষ্টা করা।[২] পাশ্চাত্যের ভাষাগুলোতে পদার্থবিজ্ঞানকে "ফিজিক্স" বা এই জাতীয় শব্দ দিয়ে নির্দেশ করা হয়। এই শব্দটি প্রাচীন গ্রিক φυσική (ἐπιστήμη) বা রোমান‌ Physikḗ (epistḗmē), φύσις physis "প্রকৃতি"[৩][৪][৫]) থেকে এসেছে যার অর্থ "প্রকৃতির জ্ঞান"।[৬] যেখানে পদার্থ, পদার্থের গতি এবং স্থান ও সময় মাধ্যমে তার আচরণ এবং শক্তি এবং বল সংক্রান্ত রাশি নিয়ে অধ্যয়ন করা হয়। পদার্থবিজ্ঞান বিজ্ঞানের সবচেয়ে মৌলিক শাখাগুলোর মধ্যে একটি। পদার্থবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য হলো মহাবিশ্বের আচরণ সম্পর্কে অনুধাবন করা ।[ক][৭][৮][৯] ] প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা মানুষের আদিমতম কাজের একটি, তবে পদার্থবিজ্ঞান বলতে বর্তমানে যাকে বোঝানো হয় তার জন্ম ১৬শ শতাব্দীর বৈজ্ঞানিক বিপ্লবোত্তর-কালে, যখন এটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণকারী একটি বিজ্ঞানে পরিণত হয়[১৩] তার আগে প্রকৃতি নিয়ে গবেষণার সাধারণ নাম ছিল প্রাকৃতিক দর্শন, যাকে ঠিক বিজ্ঞান বলা যায় না। আল মাসুদি (৮৯৬ খ্রিস্টাব্দ) প্রকৃতির ইতিহাস নিয়ে ৩০ খণ্ডে একটি এনসাইক্লোপিডিয়া লিখেছিলেন।https://bn.wikipedia.org/wiki/পদার্থবিজ্ঞান প্রকৃতি বলতে এই পৃথিবী তথা সমগ্র সৃষ্টিকে নির্দেশ করে। প্রকৃতি বলতে জাগতিক বিশ্বের মানব সৃষ্ট-নয় এমন দৃশ্য-অদৃশ্য বিষয় এবং জীবন ও প্রাণকে বুঝায়। অন্য অর্থে প্রকৃতি বলতে বৈশিষ্ট্য ‌কেও বুঝায়। যেমন: মানব প্রকৃতি (মানুষের বৈশিষ্ট্য)। আগেই বলা হয়েছে প্রকৃতি বলতে স্রষ্টা সৃষ্ট বিশ্বজগত যার মধ্যে মানুষ একটি উপাদান মাত্র। গাছ-পালা , নদী-নালা , পশু-পাখি , পাহাড়-পর্বত ইত্যাদি সকলবস্তুই হচ্ছে প্রকৃতির উপাদান। (https://bn.wikipedia.org/wiki/রকৃতি) প্রকৃতি নিয়ে স্ট্যাটাস, ক্যাপশন, উক্তি, কবিতা, কিছু কথা, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা এই বাংলাদেশ এই দেশের সব কিছুই আল্লাহতালা খুব সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন যে সৃষ্টি দেখে আমরা মুগ্ধ হয়ে যাই। তাই আমরা যারা প্রকৃতিকে ভালোবাসি তারা অবশ্যই প্রকৃতির কিছু লেখা খোঁজ করি। তাই চলেন আজকে আমরা দেখে নেই প্রকৃতি নিয়ে কিছু লেখা যে লেখাগুলো পড়লে অবশ্যই আমাদের ভালো লাগবে। আমরা যখন প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যাই তখন আমাদের কি যে ভালো লাগে? যখন আমাদের খুব মন খারাপ থাকে তখন আমরা যদি প্রকৃতির মাঝে হারিয়ে যায় তখন আমাদের মনটা অনেক ভালো হয়ে যায়। প্রকৃতি হচ্ছে আল্লাহতালার বড় একটি নিয়ামত। যে নিয়ামতের কারণে আমরা সবসময় হাসিখুশি এবং সুন্দরভাবে পৃথিবীতে বসবাস করতে পারি। ১৬. “আপনি প্রকৃতিকে যদি সত্যই ভালোবাসেন তবে আপনি সর্বত্র সৌন্দর্য পাবেন।” ১৭. “প্রকৃতির অধ্যয়ন করুন, প্রকৃতিকে প্রেম করুন, প্রকৃতির কাছাকাছি থাকুন। এটি আপনাকে কখনো ব্যর্থ করবে না।” ১৮. “রঙ প্রকৃতির হাসি।” ১৯. “পুরুষ তর্ক করে। প্রকৃতি কাজ করে।” ২০. “সংগীত এবং শিল্পের মতো, প্রকৃতির প্রেম একটি সাধারণ ভাষা যা রাজনৈতিক বা সামাজিক সীমানা অতিক্রম করতে পারে।” ২১. “প্রকৃতিকে আবিষ্কার করে আপনি নিজেকে আবিষ্কার করেন।” ২৩. “প্রকৃতির এক স্পর্শ পুরো বিশ্বকে আত্মীয় করে তোলে।” ২৪. “জীবনের লক্ষ্য প্রকৃতির সাথে একমত হয়ে জীবনযাপন করা।” ৩২. “বিজ্ঞান প্রকৃতির চূড়ান্ত রহস্য সমাধান করতে পারে না। এবং এটি কারণ, শেষ বিশ্লেষণে আমরা নিজেরাই রহস্যের একটি অংশ যা আমরা সমাধান করার চেষ্টা করছি।” “প্রকৃতির সমস্ত কিছুই আইন অনুসারে যায়, ৪২. “প্রতিটি ফুল প্রকৃতিতে প্রস্ফুটিত একটি আত্মা।” ৪৫. “আমি প্রকৃতির কাছে যাই, শান্ত এবং সুস্থ হয়ে উঠতে, এবং আমার জ্ঞানকে যথাযথ করে তুলতে।” ৪৯. “প্রত্যেক কিছুর মধ্যে সত্যের একটি উপাদান রয়েছে। ৫১. “প্রকৃতি, সময় এবং ধৈর্য এই তিনজন দুর্দান্ত চিকিত্সক।” ৫২. “প্রকৃতি আমাদের মা।” “প্রকৃতি এমন এক অসীম ক্ষেত্র যার কেন্দ্রটি সর্বত্র এবং পরিধিটি কোথাও নেই।” ৫৮. “প্রকৃতির হাত থেকে দূরে মানুষের হৃদয় শক্ত হয়ে যায়।” “প্রকৃতিকে আপনার শিক্ষক হতে দিন।” ৬৬. “প্রাকৃতিক আশ্চর্যের সৌন্দর্যে আনন্দ খুঁজুন।” ৬৭. “প্রকৃতি শুধু দেখার জায়গা নয়, এটি আমাদের বাড়ি।” 🌿🏠 ৬৮. “প্রকৃতির সহজ জিনিসগুলি উপভোগ করার জন্য সময় নিন।” ৬৯. “জীবন ছোট, কিন্তু প্রকৃতির সৌন্দর্য চিরকাল স্থায়ী হয়।” ৭০. “আসুন আমরা সবসময় একটি ন্যাচারাল হাসি দিয়ে একে অপরের সাথে দেখা করি, কারণ হাসিটি ভালবাসার শুরু।” ৭১. “প্রকৃতি ফুলের মাধ্যমে তার মিষ্টি হাসি প্রকাশ করে।” ৭২. “বন্য দিকে হাঁটুন এবং প্রকৃতির সাথে পুনরায় সংযোগ করুন।” ৭৩. “পাহাড়ের ফিসফিস আর গাছে ভরা দৃশ্য, গ্রামের প্রেম ইশারা করে।” “সতেজ সবুজ নির্মলতাকে আলিঙ্গন করে, যেখানে গ্রামীণ জীবন এবং প্রকৃতি মিশে যায়।” 🌳 ৭৫. প্রতিটি গ্রামের কোণে ভালোবাসায় আঁকা রয়েছে প্রকৃতির ক্যানভাস। 🌿🏡 ৭৬. গ্রামের আকর্ষণ, পাহাড়ের স্বপ্ন এবং প্রকৃতির অফুরন্ত আলিঙ্গন… 🏞️ ৭৭. গাছগুলো লম্বা হয়ে দাঁড়ায়, জীবন বিকশিত হয় এবং গ্রামের হৃদয় শক্তিশালী হয়। 🌲🌄 ৭৮. হারিয়ে গেছি এক সবুজ আশ্চর্য দেশে, যেখানে গ্রামীণ জীবন আর প্রকৃতির মিলন। ৭৯. গ্রামের শিকড়, পাহাড়ের উচ্চতা এবং প্রকৃতির সৌন্দর্যের ভালোবাসা। পদার্থবিজ্ঞানী কারা? জড়পদার্থের ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞানদায়ক বিদ্যা বা শাস্ত্র হিসেবে পদার্থবিজ্ঞান গবেষণার সাথে জড়িত ব্যক্তি পদার্থবিজ্ঞানী-রূপে পরিচিত। পদার্থবিজ্ঞানীদের কাজ কি? পদার্থবিজ্ঞানীরা আমাদের চারপাশের বস্তুজগৎ কি আচরণ করে আর কেনই বা সেইসব আচরণ করে, তা বোঝার চেষ্টা করেন। তাঁরা এ উদ্দেশ্যে অনুকল্প প্রস্তাব করেন, এবং সেগুলি বাস্তবে পর্যবেক্ষণসম্ভব উপাত্তের সাথে মিলিয়ে দেখেন। এই দৃষ্টিকোণ থেকে পদার্থবিজ্ঞান রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের সাথে সম্পর্কিত। আবার শাস্ত্রটি দর্শন ও গণিতের সাথেও সম্পর্কিত। প্রকৃতিকে ভালভাবে বিশ্লেষণ করার জন্য বৈজ্ঞানিক গবেষণার শ্রেণী বিন্যাস প্রকৃতিকে ভালভাবে বিশ্লেষণ করার জন্য এ সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান এই তিনটি প্রধান বিজ্ঞানে ভাগ করে নেয়া হয়েছে। রসায়নে মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ আলোচিত হয়, জীববিজ্ঞানে জীবন ও জীবিত বস্তুসমূহ নিয়ে আলোচনা করা হয়, আর বাকী সব কিছু আলোচনা করা হয় পদার্থবিজ্ঞানে। দর্শন ও গণিতের সাথে পদার্থবিজ্ঞানের সম্পর্ক আরও জটিল। আধুনিক বিজ্ঞান হিসেবে জন্মলাভের আগ পর্যন্ত পদার্থবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু দর্শনশাস্ত্রে আলোচিত হত এবং বর্তমান দর্শনের নানা শাখায় অধীত বিষয়সমূহ পদার্থবিজ্ঞানীরা ভবিষ্যতে ব্যাখ্যা করার ইচ্ছা রাখেন পদার্থবিজ্ঞানের ধারণা ও তত্ত্বগুলি প্রায় সার্বজনীনভাবে গাণিতিক সমীকরণের সাহায্যে প্রকাশ করা হয়। তাই গণিতকে প্রায়ই পদার্থবিজ্ঞানের ভাষা বলে অভিহিত করা হয়।[১৪] ষোড়শ এবং সপ্তদশ শতাব্দীতে ইউরোপে পদার্থবিজ্ঞানের জগতে একটি বিস্ময়কর বিপ্লবের শুরু হয়, সময়টা ছিল ইউরোপীয় রেঁনেসার যুগ। ১৫৪৩ সালে কোপার্নিকাস তার একটি বইয়ে সূর্যকেন্দ্রিক একটি সৌরজগতের ব্যাখ্যা দেন (বইয়ের প্রকাশক ধর্মযাজকদের ভয়ে লিখেছিলেন যে এটি সত্যিকারের ব্যাখ্যা নয়, শুধু একটি গাণিতিক সমাধান মাত্র!) ।কোপার্নিকাসের তত্ত্বটি দীর্ঘাদন লোকচক্ষুর আড়ালে পড়ে ছিল, গ্যালিলিও (১৫৬৪-১৬৪২) সেটিকে সবার সামনে নিয়ে আসেন। তিনি গাণিতিক সূত্র দেওয়ার পর পরীক্ষা করে সেই সূত্রটি প্রমাণ করার বৈজ্ঞানিক ধারার সূচনা করেন। গ্যালিলিওকে অনেক সময় আধুনিক বিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তবে সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের প্রবন্তা হওয়ার কারণে তিনি চার্চের কোপানলে পড়েছিলেন এবং শেষ জীবনে তাঁকে গৃহবন্দী হয়ে কাটাতে হয়। ১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে আইজাক নিউটন বলবিদ্যার তিনটি এবং মহাকর্ষ বলের সূত্র প্রকাশ করেন, যেটি বল এবং গতিবিদ্যার ভিত্তি তৈরি করে দেয়। আলোকবিজ্ঞান এবং অন্য আরো কাজের সাথে সাথে বিজ্ঞানী নিউটন লিবনিজের সাথে গণিতের নতুন একটি শাখা ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেছিলেন. অষ্টাদশ শতাব্দীর আগে তাপকে ভরহীন এক ধরনের তরল হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ১৭৯৮ সাল কাউন্ট রামফোর্ড দেখান,তাপ এক ধরনের শক্তি এবং যান্ত্রিক শক্তিকে তাপশক্তিতে‌ রুপা ন্তুর করা যায়। আরও অনেক বিজ্ঞানীর গবেষণার ওপর ভিত্তি করে লর্ড কেলভিন ১৮৫০ সালে তাপ গতিবিজ্ঞানের (থার্মোডিনামিক্সের) দুটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিয়েছিলেন। বিদ্যুৎ ও চুষকের ওপরেও এই সময় ব্যাপক গবেষণা শুরু হয়। ১৭৭৮ সালে কুলম্ব বৈদ্যুতিক চার্জের ভেতরকার বলের জন্য সূত্র আবিষ্কার করেন। ১৮০০ সালে ভোল্টা বৈদ্যুতিক ব্যাটারি আবিষ্কার করার পর বিদ্যুৎ নিয়ে নানা ধরনের গবেষণা শুরু হয়। ১৮২০ সালে অরস্টেড দেখান বিদ্যুৎ প্রবাহ দিয়ে চুম্বক তৈরি করা যায়। ১৮৩১ সালে ফ্যারাডে এবং হেনরি ঠিক তার বিপরীত প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন। তারা দেখান চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করে বিদ্যুৎ তৈরি করা যায়। ১৮৬৪ সালে ম্যাক্সওয়েল তার বিখ্যাত ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ দিয়ে পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ ও চৌম্বক ক্ষেত্রকে একই সূত্রের মাঝে নিয়ে এসে দেখান যে আলো আসলে একটি বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। বিদ্যুৎ ও চুম্বক আলাদা কিছু নয়, আসলে এ দুটি একই শক্তি দুটি ভিন্ন রূপ। এটি সময়োপযোগী একটি আবিষ্কার ছিল,কারণ ১৮০১ সালে ইয়ং পরীক্ষার মাধ্যমে আলোর তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ করে রেখেছিলেন। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের পূর্ব-যুগষোড়শ এবং সপ্তদশ শতাব্দীতে ইউরোপে পদার্থবিজ্ঞানের জগতে একটি বিস্ময়কর বিপ্লবের শুরু হয়, সময়টা ছিল ইউরোপীয় রেঁনেসার যুগ। ১৫৪৩ সালে কোপার্নিকাস তার একটি বইয়ে সূর্যকেন্দ্রিক একটি সৌরজগতের ব্যাখ্যা দেন (বইয়ের প্রকাশক ধর্মযাজকদের ভয়ে লিখেছিলেন যে এটি সত্যিকারের ব্যাখ্যা নয়, শুধু একটি গাণিতিক সমাধান মাত্র!) ।কোপার্নিকাসের তত্ত্বটি দীর্ঘাদন লোকচক্ষুর আড়ালে পড়ে ছিল, গ্যালিলিও (১৫৬৪-১৬৪২) সেটিকে সবার সামনে নিয়ে আসেন। তিনি গাণিতিক সূত্র দেওয়ার পর পরীক্ষা করে সেই সূত্রটি প্রমাণ করার বৈজ্ঞানিক ধারার সূচনা করেন। গ্যালিলিওকে অনেক সময় আধুনিক বিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তবে সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের প্রবন্তা হওয়ার কারণে তিনি চার্চের কোপানলে পড়েছিলেন এবং শেষ জীবনে তাঁকে গৃহবন্দী হয়ে কাটাতে হয়। ১৬৮৭ খ্রিষ্টাব্দে আইজাক নিউটন বলবিদ্যার তিনটি এবং মহাকর্ষ বলের সূত্র প্রকাশ করেন, যেটি বল এবং গতিবিদ্যার ভিত্তি তৈরি করে দেয়। আলোকবিজ্ঞান এবং অন্য আরো কাজের সাথে সাথে বিজ্ঞানী নিউটন লিবনিজের সাথে গণিতের নতুন একটি শাখা ক্যালকুলাস আবিষ্কার করেছিলেন. অষ্টাদশ শতাব্দীর আগে তাপকে ভরহীন এক ধরনের তরল হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ১৭৯৮ সাল কাউন্ট রামফোর্ড দেখান,তাপ এক ধরনের শক্তি এবং যান্ত্রিক শক্তিকে তাপশক্তিতে‌ রুপা ন্তুর করা যায়। আরও অনেক বিজ্ঞানীর গবেষণার ওপর ভিত্তি করে লর্ড কেলভিন ১৮৫০ সালে তাপ গতিবিজ্ঞানের (থার্মোডিনামিক্সের) দুটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিয়েছিলেন। বিদ্যুৎ ও চুষকের ওপরেও এই সময় ব্যাপক গবেষণা শুরু হয়। ১৭৭৮ সালে কুলম্ব বৈদ্যুতিক চার্জের ভেতরকার বলের জন্য সূত্র আবিষ্কার করেন। ১৮০০ সালে ভোল্টা বৈদ্যুতিক ব্যাটারি আবিষ্কার করার পর বিদ্যুৎ নিয়ে নানা ধরনের গবেষণা শুরু হয়। ১৮২০ সালে অরস্টেড দেখান বিদ্যুৎ প্রবাহ দিয়ে চুম্বক তৈরি করা যায়। ১৮৩১ সালে ফ্যারাডে এবং হেনরি ঠিক তার বিপরীত প্রক্রিয়া আবিষ্কার করেন। তারা দেখান চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করে বিদ্যুৎ তৈরি করা যায়। ১৮৬৪ সালে ম্যাক্সওয়েল তার বিখ্যাত ম্যাক্সওয়েল সমীকরণ দিয়ে পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ ও চৌম্বক ক্ষেত্রকে একই সূত্রের মাঝে নিয়ে এসে দেখান যে আলো আসলে একটি বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ। বিদ্যুৎ ও চুম্বক আলাদা কিছু নয়, আসলে এ দুটি একই শক্তি দুটি ভিন্ন রূপ। এটি সময়োপযোগী একটি আবিষ্কার ছিল,কারণ ১৮০১ সালে ইয়ং পরীক্ষার মাধ্যমে আলোর তরঙ্গ ধর্মের প্রমাণ করে রেখেছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানের প্রধান শাখাসমূহ পদার্থবিজ্ঞান শাস্ত্রের পরিপক্বতার সাথে সাথে প্রকৃতিতে পর্যবেক্ষণযোগ্য ভৌত ঘটনাগুলিকে এর কতগুলি বিশেষ বিশেষ শাখার অধীনে বণ্টন করে নেওয়া হয়েছে। যদিও পদার্থবিজ্ঞানের সমস্ত ক্ষেত্রগুলিকে একত্রে একক একটি তত্ত্বের অধীন হিসেবে মনে করা হয়ে থাকে, এ ধারণাটি এখনও প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি। পদার্থবিজ্ঞানের মূল শাখাগুলি এরকম: চিরায়ত বলবিজ্ঞান: চিরায়ত বলবিজ্ঞানে বস্তুসমূহের উপর বলের ক্রিয়ার পদার্থ-বৈজ্ঞানিক মডেল আলোচিত হয়। এই মডেল নিষ্পত্তিমূলক (deterministic)। চিরায়ত বলবিজ্ঞানকে কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের সীমা হিসবে গণ্য করা হয়, যদিও এটা প্রমাণ করা এখনও সম্ভব হয়নি। চিরায়ত বলবিজ্ঞানকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়: নিউটনীয় চিরায়ত বলবিজ্ঞান, আইজাক নিউটন ও তাঁর গতি সংক্রান্ত বিধিগুলির নাম অনুসারে। আপেক্ষিক বলবিজ্ঞান, আলবার্ট আইনস্টাইন এবং তাঁর সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব ও বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অনুসারে। কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান: এই শাখায় পারমাণবিক ও অতি-পারমাণবিক ব্যবস্থাসমূহ এবং বিকিরণের সাথে এদের সম্পর্ক পর্যবেক্ষণযোগ্য রাশির সাপেক্ষে আলোচনা করা হয়। কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের ভিত্তি পর্যবেক্ষণটি হচ্ছে সব ধরনের শক্তি কিছু বিচ্ছিন্ন এককের গুচ্ছ আকারে নিঃসরিত হয়, যে গুচ্ছগুলির নাম কোয়ান্টা (বহুবচনে)। কোয়ান্টাম তত্ত্বে পর্যবেক্ষণযোগ্য কণাগুলির বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের কেবল সম্ভাবনাভিত্তিক বা পরিসংখ্যানিক গণনা সম্ভব, এবং এগুলি তরঙ্গ ফাংশনের আকারে আলোচনা করা হয়। তড়িৎ-চুম্বকত্ব : এই শাখায় তড়িৎ-চুম্বকীয় ক্ষেত্রের পদার্থবিজ্ঞান আলোচিত হয়। তড়িৎ-চুম্বকীয় ক্ষেত্র এমন একটি ক্ষেত্র যা সর্বত্র বিস্তৃত এবং বৈদ্যুতিক চার্জ-যুক্ত কণার উপর এটি বল প্রয়োগ করতে পারে। একইভাবে বৈদ্যুতিক আধানের উপস্থিতি ও চলন কোন তড়িৎ-চুম্বকীয় ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করতে পারে। পরিসংখ্যানিক বলবিজ্ঞান ও তাপগতিবিজ্ঞান: এই শাখাগুলিতে তাপ, কাজ ও এনট্রপি আলোচিত হয়। তাপগতিবিজ্ঞানে বড় আকারের (macroscopic) ব্যবস্থার শক্তি নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং এর উপর তাপমাত্রা, চাপ, আয়তন, যান্ত্রিক কাজ ইত্যাদির প্রভাব গবেষণা করা হয়। পরিসংখ্যানিক বলবিজ্ঞানে বৃহদায়তনিক (macroscopic) ব্যবস্থার ক্ষুদ্রায়তনিক (microscopic) উপাদানগুলিতে পরিসংখ্যানের পদ্ধতি প্রয়োগ করে তাপগতিবিজ্ঞানের বৃৃৃৃৃৃহদায়তনিক (macroscopic) দৃষ্টিভঙ্গি এবং চিরায়ত বা কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানে ব্যাখ্যাকৃত পদার্থের পারমাণবিক আচরণের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করা হয়। পদার্থবিজ্ঞানের শাখা শব্দবিজ্ঞান (Acoustics) - কঠিন বস্তুর তরল পদার্থ, এবং গ্যাস (যেমন কম্পন এবং শব্দ হিসাবে) মধ্যে যান্ত্রিক তরঙ্গ অধ্যয়ন কৃষিপদার্থবিজ্ঞান (Agrophysics) - পদার্থবিজ্ঞান গবেষণায় কৃষি সংস্থাগুলোর প্রয়োগ। মৃত্তিকা পদার্থবিজ্ঞান (Soil physics) - মাটির ভৌত ধর্ম এবং প্রক্রিয়াগুলোর অধ্যয়ন। নভোপদার্থবিজ্ঞান (Astrophysics ) - মহাজাগতিক বস্তুসমূহের ভৌত ধর্ম অধ্যয়ন। জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy) - পৃথিবীর বাইরে মহাবিশ্ব এবং তার গঠন ও বিকাশের পাশাপাশি বিবর্তন, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, আবহাওয়াবিদ্যা এবং মহাকাশীয় বস্তুর গতি (যেমন ছায়াপথ, গ্রহ, নক্ষত্র,ধূমকেতু ইত্যাদি) এবং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের বাইরে উৎপন্ন (যেমন হিসাবে মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণ) ঘটনাবলি। জ্যোতির্গতিবিজ্ঞান (Astrodynamics) - রকেট এবং অন্যান্য মহাকাশযানের গতিবিধি সংক্রান্ত বাস্তব সমস্যার জন্য বলবিদ্যার প্রয়োগ। নভোমিতি বা জ্যোতির্মিতি (Astrometry) - জ্যোতির্বিজ্ঞানের শাখা যা বড় এবং অন্যান্য খ-বস্তুসমূহের অবস্থান ও অবস্থানের সঠিক পরিমাপের সাথে জড়িত। ছায়াপথ-বহিঃস্থ জ্যোতির্বিজ্ঞান (Extragalactic astronomy) - জ্যোতির্বিদ্যার শাখা যা আমাদের নিজস্ব আকাশগঙ্গা ছায়াপথের বাইরের বস্তুর সঙ্গে সম্পর্কিত। ছায়াপথ জ্যোতির্বিজ্ঞান (Galactic astronomy) - আমাদের নিজস্ব আকাশগঙ্গা ছায়াপথ এবং তার সমস্ত বিষয়বস্তু অধ্যয়ন। ভৌত বিশ্বতত্ত্ব (Physical cosmology) - মহাবিশ্বের বৃহৎ-স্তরের কাঠামো এবং গতিবিদ্যা গবেষণা এবং তার গঠনের এবং বিবর্তন সম্পর্কে মৌলিক আলোচনার সাথে সংশ্লিষ্ট। গ্রহীয় বিজ্ঞান (Planetary science) - গ্রহগুলোর (পৃথিবী সহ) উপগ্রহ,চন্দ্র ও গ্রহের সিস্টেম, বিশেষ করে সৌর সিস্টেম এবং তাদের গঠন প্রক্রিয়াগুলে। নাক্ষত্রিক জ্যোতির্বিজ্ঞান (Stellar astronomy) - প্রাকৃতিক বিজ্ঞান যা মহাজাগতিক বস্তুর (যেমন তারা, গ্রহ, ধূমকেতু, তারকা সংমিশ্রণ এবং ছায়াপথ) এবং পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল (যেমন মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণ) আবহমণ্ডলীয় পদার্থবিজ্ঞান (Atmospheric physics) - বায়ুমন্ডলে ভৌত পদার্থ প্রয়োগের অধ্যয়ন পারমাণবিক, আণবিক, এবং আলোকীয় পদার্থবিদ্যা (Atomic, molecular, and optical physics) - জীবপদার্থবিজ্ঞান বা প্রাণ-পদার্থবিজ্ঞান (Biophysics) - জৈবিক পদ্ধতিগুলি অধ্যয়ন করার জন্য পদার্থবিজ্ঞানের পদ্ধতি ব্যবহার করে এমন আন্তঃসম্পর্কিত বিজ্ঞান। চিকিৎসা পদার্থবিজ্ঞান (Medical physics) - পদার্থবিজ্ঞানের ধারণা, ঔষধের তত্ত্ব ও পদ্ধতি। স্নায়ু পদার্থবিজ্ঞান (Neurophysics) - স্নায়ুতন্ত্র সম্পর্কে তথ্যলাভের জন্য ভৌত কৌশলের ব্যবহার ও বিকাশ। রাসায়নিক পদার্থবিজ্ঞান (Chemical physics) - পদার্থবিজ্ঞানের শাখা যা পদার্থবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে রাসায়নিক প্রক্রিয়াগুলি অধ্যয়ন। চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞান (Classical physics) - পদার্থবিজ্ঞান যা কোয়ান্টাম বলবিদ্যার আবির্ভাবের পূর্বাভাস দেয়। পরিগণনামূল ক পদার্থবিজ্ঞান (Computational physics) - পদার্থবিজ্ঞানের সমস্যা সমাধানের জন্য সাংখ্যিক নির্দেশক্রম বা অ্যালগরিদমগুলির গবেষণা এবং বাস্তবায়ন, যার জন্য একটি পরিগণনামূলক তত্ত্ব ইতিমধ্যে বিদ্যমান। ঘনীভূত পদার্থ পদার্থবিজ্ঞান (Condensed matter physics) - ঘনীভূত পদার্থের ভৌত বৈশিষ্ট্য অধ্যয়ন। হিমবিজ্ঞান (Cryogenics) - অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায় (-150 ডিগ্রী সি, -238 ° ফা বা 123 কেলভিন) বস্তু উৎপাদন এবং এ তাপমাত্রায় এদের আচরণের গবেষণা। গতিবিজ্ঞান (Dynamics) - গতির পরিবর্তন এবং গতির পরিবর্তনগুলো সম্পর্কে গবেষণা।[১৮] কণা পদার্থবিজ্ঞান(particle physics)- পদার্থের পরমাণুর গঠন ও তাদের বিকিরণ নিয়ে আলোচনা করে। উপরোক্ত বর্ণনার অআলোকে এটা সুস্পষ্ট প্রতীয়মান যে, বিজ্ঞান মূলতঃ পদার্থ বিজ্ঞানকে ঘিরে আবর্তিত।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

মহাকর্ষঃ মহাবিশ্বের মহা বিস্ময়

মহাকর্ষঃ মহাবিশ্বের মহা বিস্ময় স্ট্রিং বিশেষজ্ঞদের মতে, কণাবাদী পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেল যেসব কণিকাদের নিয়ে কাজ করে, স্ট্রিং থিওরি স্বতঃস্ফূর্তভাবেই এসব কণর সাথে চমৎকারভাবে মহাকর্ষের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করতে পারে। এ কারণে বিজ্ঞানীরা আশাবাদী যে, মহাজাগতিক সবকিছুর তত্ত্ব হিসাবে স্ট্রিং থিওরি সকল কাজের কাজী হওয়ার দাবী রাখে অর্থাৎ এই তত্ত্বের নিজস্ব গাণিিতিক মডেলের সাহায্যে স্ট্রিং থিওরি প্রকৃতিতে বিদ্যমান চারটি মৌলিক বল, সকল প্রকার শক্তি ও পদার্থের যেকোনো অবস্থাকে ব্যাখ্যা করতে পারে। বস্তুতঃ স্ট্রিং থিওরীর ধারণাগুলো আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার এবং কোয়ান্টাম ফিল্ড থিওরি ও কোয়ান্টাম গ্রাভিটির (মহাকর্ষের কোয়ান্টাম রুপ) সকল ধোঁয়াশা দূর করে আমাদের পুরাতন পৃথিবীতে এক নতুন পদার্থবিজ্ঞান উপহার দিচ্ছে যা সত্যি অভিনন্দনযোগ্য।তবে নিউটনের ক্ল্যাসিক্যাল বল বিজ্ঞান ছাড়িয়ে কোয়ান্টাম ম্যাকানিকস নামক সুপার ডিজিটাল যুগেও সম্ভবপর হচ্ছে না মহাবিশ্বের মহাবিস্ময় মহাকর্ষের স্বরূপ উন্মোচনের। উপরন্ত্ত অদৃশ্যমান মহাজাগতিক ডার্ক এনার্জি আর ডার্ক ম্যাটারের সরব উপস্থিতি বিজ্ঞান...

স্ট্রিং থিওরিঃ আশার আলো

স্ট্রিং ঃ ‌কোন্ পথে? নিউটনের মতে, সত্য সহজ-সরল পথে অবস্থিত। স্ট্র্রিং জানার দুটি পথ ১. সরল সমীকরণে ২. জটিল তাত্বিক সমীকরণে। সরল সমীকরণে স্ট্রিং থিওর স্ট্রিং থিওরিঃ আশার আলো কণা তাত্ত্বিক পদার্থ বিজ্ঞানের মতে, মৌলিক কনিকারা হল মাত্রাহীন বিন্দুর মত। জ্যামিতিক ভাষায় বিন্দুর সংজ্ঞা হচ্ছে: “যার দৈর্ঘ্য প্রস্থ ও উচ্চতা নেই তাকেই বিন্দু বলে”। পক্ষান্তরে স্ট্রিং থিওরি মতে, মৌলিক কণিকারা মাত্রাহীন বিন্দুর মত নয়, বরং এগুলো হলো একমাত্রিক তারের মত। একটি তারের যেমন শুধু দৈর্ঘ্য আছে; মৌলিক কণারাও ঠিক তেমনি। এ কারণেই এই তত্ত্বের নামও হয়েছে স্ট্রিং থিওরি বা তার-তত্ত্ব। স্ট্রিং থিওরির প্রকারভেদঃ মৌলিক কনাগুলোকে তাদের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মুলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। ক) এক শ্রেনির নাম বোসন খ) আরেক শ্রেনির নাম ফার্মিওন। প্রথম দিকে যে স্ট্রিং থিওরি গঠন করা হয় তাকে বলা হত বোসনিক স্ট্রিং থিওরি। স্ট্রিং থিওরীর মূল লক্ষ্যঃ স্ট্রিংগুলোর কোয়ান্টাম অবস্থা ও বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে প্রকৃতিতে বিদ্যমান সকল মৌলিক কনিকার আচরণ ব্যাখ্যা করা স্ট্রিং থিওরীর মূল লক্ষ্য। ধরা যাক ইলেকট্রন বা কোয়ার্কের কথা...

বিজ্ঞান ব্যাংক (তথ্য) বাংলাদেশ

বিজ্ঞান ব্যাংক (তথ্য) বাংলাদেশ বলা হয়ে থাকে, "বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা সেদিন থেকে শুরু- যেদিন মানব মনে সত্যকে জানার আগ্রহ জেগেছিল"। "যদি ১৩ TeV-তেও টুইন কণাদের অস্তিত্ব আবিস্কার করা না যায়, তাহলেও 'তাদের অস্তিত্ব নেই'-এমনটা বলা যাবে না, হয়তো তাদের শনাক্ত করার জন্য আরও বেশি শক্তির প্রয়োজন হতে পারে। সে লক্ষ্যে বিজ্ঞানীরা আরও কাজে নামবেন, চেষ্টা করবেন সত্য উদঘাটনের জন্য" ( সূত্রঃ ১. সায়েন্স ইলাস্ট্রাটেড ২. জেগে উঠছে লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারঃ উজ্জ্বল তৌসিফ, বিজ্ঞানচিন্তা, জুন ২০১৯, পৃষ্ঠা ৪১)। মহাবিশ্বের সব কিছু কেবল ১২ ধরণের পদার্থের কণা দিয়ে গঠিত। বলবাহী কণারা এদেরকে একসঙ্গে ধরে রাখে। এসব কণাদের টুইন কণা আছে। ধারণা করা হচ্ছে, ডার্ক ম্যাটার বা গুপ্ত বস্ত্ত এই টুইন কণা দিয়েই গঠিত হতে পারে। লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার ব্যবহার করে বিজ্ঞানিরা এবার এই টুইন কণাদের শনাক্ত করার চেষ্টা করেবন (বিজ্ঞানচিন্তা, জুন ২০১৯, পৃষ্ঠা ৪০)। আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার সাগরে জোয়ার এলো যেমন করেঃ হে রাসুল! আপনি বলুন, তোমরা কি সে আল্লাহকে অস্বীকার কর যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন ...